1. dainikbijoyerbani@gmail.com : দৈনিক বিজয়ের বানী : দৈনিক বিজয়ের বানী
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
চোরাচালানের স্বর্গরাজ্যে জাফলং সীমান্ত অস্ত্র নিয়ে সীমান্ত এলাকায় মহড়া নাজিম উদ্দিন। - দৈনিক বিজয়ের বানী
রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৩:২৬ অপরাহ্ন
ad

চোরাচালানের স্বর্গরাজ্যে জাফলং সীমান্ত অস্ত্র নিয়ে সীমান্ত এলাকায় মহড়া নাজিম উদ্দিন।

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২১
  • ৩৭১ Time View

কামরুল ইসলাম গোয়াইনঘাট প্রতিনিধিঃ

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলা যেন চোরাচালানের এক স্বর্গরাজ্য পূর্ব জাফলং ইউনিয়নে প্রতিদিন অন্তত ৩ কোটি টাকার ভারতীয় চোরাইপণ্য ঢুকছে পূর্ব জাফলং সীমান্ত পথে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গত কয়েকদিন ধরে চোরাকারবারি দের নিয়ে মিটিং ও দিকনির্দেশনার একটা ভিডিও ভাইরাল হলে বিষয় টা সিলেটের সংবাদকর্মীদের নজরে আসে। তাৎক্ষণিক সংবাদ কর্মীরা জাফলং সীমান্তের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গুলো জানতে পারে।

সংবাদকর্মীদের প্রশ্ন? কে এই নাজমুল হোসাইন নাজিম উদ্দিন পাওয়ায় ফুল নিয়ে প্রশাসনকে ম্যানেজ করে, ১০ মিনিটের ভিডিও এবং ২.৫৫ সেকেন্ড এর ভিডিওতে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন চোরাকারবারীদের নিয়ে গুচ্ছগ্রামে নিজ চোরাকারবারি কার্যালয়ে।

গোয়াইনঘাট উপজেলা অন্যতম চোরাচালান রোড পূর্ব জাফলং ইউনিয়নের ১২৭৫. হতে ১২৭৪,১২৭৩,১২৭২, আন্তজার্তিক পিলার এই এলাকায় প্রতিদিন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়োজিত সোর্স নাজিম উদ্দিনের মাধ্যমে ২০ হতে ২৫ লক্ষ টাকা চাঁদা আদায়। যেন এসব দেখার কেউ নেই।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,গোয়াইনঘাট উপজেলার পূর্ব জাফলং সীমান্ত এলাকায় ৩টি বিজিবি ক্যাম্প রয়েছে। সীমান্ত জুড়ে বানের পানির মত ভারতীয় পণ্য প্রবেশ করলেও দায় সারা ভূমিকায় রয়েছে সংশ্লিষ্ট বাহিনী গুলো।অভিযোগ রয়েছে গোয়াইনঘাট উপজেলার পূর্ব জাফলং সীমান্ত এলাকাজুড়ে প্রতিদিন প্রায় ৩ হতে ৪ কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য বাংলাদেশে প্রবেশ করে জাফলং দিয়ে। এসকল পণ্য প্রবেশের পথে নির্দিষ্ট হারে আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর নির্ধারিত নাজিম উদ্দিন সোর্সম্যানদের কাছে দিতে হয় চাঁদার টাকা।

এছাড়া কোন কোন দিন মামলারজন্য সিষ্টেম লাইন দিয়ে চলছে চোরাচালান ব্যবসা। ইতোমধ্যে চোরাচালান নিয়ে জাফলং ও মামার বাজারে ২টি গ্রæপের মধ্যে হয়েছে মারামারি। অপরদিকে যে কোন মুহুত্বে চোরাচালানকে কেন্দ্রকরে উপজেলার মোহাম্মদপুর, গুচ্ছ গ্রাম, সোনাটিলা এবং তামাবিল এলাকায় খুনের মত ঘটনা ঘটতেপারে এমনটা আশংঙ্কা সচেতন মহলের। আগে থেকে নাজিম উদ্দিন চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয় জাফলং বাসী। প্রতিদিন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সীমান্ত এলাকায় মহড়া দিতে থাকে নাজিম উদ্দিন বাহিনীর সদস্যরা। যার ফলে স্থানীয়রা প্রতিনিয়ত আতঙ্কে জীবন-যাপন করছেন বলে জানা গেছে।

অন্যান্য এলাকার তুলনায় জাফলং এলাকার সুযোগ সুবিধা ভাল। ২ থেকে ৩ মিনিটের মধ্যে বর্ডারের জিরো পয়েন্টএলাকায় বিনা বাঁধায় ঢুকতে পারে গুচ্ছ গ্রাম ও সোনাটিলায় যে কোন গাড়ী সমুহ।

নির্ধারিত টাকা সোর্সদের নিকটপরিশোধ করার পর পর কয়েক মিনিটের মধ্যে জাফলং সীমান্তের নলজুরী,আমি স্বপ্ন, তামাবিল,সোনাটিলা,গুচ্ছ গ্রাম, লামা পঞ্জি, সংগ্রামপুঞ্জি ,বাবুর কোনা,বল্লাঘাট জিরো পয়েন্ট, অন্যতম। সুযোগ সুবিধা ভাল থাকায় উপজেলার এই রোড গুলোদিয়ে অন্তত ৮ হতে ১০কোটি টাকার ভারতীয় মটর সাইকেল,মোবাইল হ্যান্ড সেট, শাড়ী, মহিষ,গরু, কসমেট্রিক্স, হরলিক্স, ইয়াবা, ফেন্সিড্রিল,বিভিন্ন ব্যান্ডের অফিসার চয়েস মদ,আমদানী নিষিদ্ধ ভারতীয় শেখ নাছির উদ্দিন বিড়ি,বিভিন্ন ব্যান্ডের সিগারেট,সুপারী, বাংলাদেশ হতে ভারতে পাচার হচ্ছে হাজার হাজার বস্তা মটর শুটিডাল,নারী।

জাফলং সীমান্তে বসাবাসরত সাধারন নাগরিকরা জানান,আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়োজিত প্রায় ৩০জন সোর্সদের মাধ্যমে প্রতিদিন ২০ হতে ২৫ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ১০ হতে ১৫ কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

জাফলং সীমান্ত বাসিন্ধারা আরও জানান কিছু কিছু সময় অনেক চোরাকারবারী নিদিষ্ট সোর্সদের নির্ধারিত টাকা পরিশোধ না করলে ঐ চোরাকারবারীর নিয়ে আসা পণ্য আটক করা হয়। অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মামলা দিতে চোরা কারবারীদের সাথে সিষ্টেম চুক্তি মাধ্যমে কিছু সংখ্যাক গরু মহিষ এবং হাতে গুনা কয়েক বস্তা মটরশুটি আটক করে জনসাধারনের আইওয়াশ করছে বলে জানান।

এলাকাবাসী আরও বলেন,মেজর সিনহা রাশেদ হত্যাকান্ডের পর পর চট্টগ্রাম অঞ্চলে পরিস্থিতি গোলাটেহওয়ায় চোরাকারবারী চক্রের সদস্যরা সিলেটের সিমান্তবর্তী গোয়াইনঘাট এলাকায় আগমন ঘটে। বিগত দুইমাস হতে জাফলং সীমান্ত এলাকা গুলোতে অস্বাভাবিক হারে বেড়েই চলছে চোরাকারবার এসবের নেতৃত্ব দিচ্ছে নাজিম উদ্দিন।

হাঠাৎকরে গত দুই মাসে গোয়াইনঘাট উঠেছে চোরাকারবারীর স্বর্গ রাজ্য হিসাবে। আঙ্গুল ফলে কলাগাছে পরিনত হয়ে উঠছে হাতে গুনা কয়েকজন চোরাকারবারী নাজিম উদ্দিন গুচ্ছ গ্রামের।

এলাকাবাসী আরও জানান গত গত কয়েকদিন আগে রাতে বিজিবি তামাবিল স্থলবন্দর ও গুচ্ছগ্রাম সোনাটিলা কোরবান আলীর বোনের পরিত্যাক্ত বাসা হতে বিপুল পরিমান ভারতীয় কসমেট্রিক্স আটক করে বিজিবি কিন্তু মিডিয়াকে তথ্য দিতে অপারগত প্রকাশ করে।

এ বিষয়ে জানতে সংগ্রাম ও তামাবিল বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডারের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করাহলে তিনি জানান,আপনার মোবাইল নাম্বার ক্যাম্পের ফোনে সংরক্ষণ নাই।তাই আটককৃত পণ্যের তথ্য দেওয়া যাবে না বলে ফোন রেখে দেন।

আজ এ বিষয়ে জাফলং বিট পুলিশ অফিসার এসআই লিটন রায় বলেন আমি বিষয়ে আমার অফিসার ইনচার্জ ওসি পরিমল দেব স্যারকে জানিয়েছি,যাহা সত্য আপনারা লেখেন সীমান্ত এলাকায় পুলিশের নয় এইটা বিজিবি-র তার পরেও আমরা মাদক ও চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে অভিযান অভ্যাহত রেখেছি।

গোয়াইনঘাট থানা পুলিশের কোন সোর্সম্যান নাই চোরাকারবারীদের সাথে কোন সম্পর্কনাই আমাদেরকে সটিক ইনফরমেশন দিয়ে সহযোগিতা করুন আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানান।

ad

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
ad
ad
© All rights reserved 2020
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: DoryHost.com